আলেমের বসত ঘর ঘেঁষে গভীর গর্ত কেন?
আলেমের বসত ঘর ঘেঁষে গভীর গর্ত কেন?
রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর
রংপুরে বদরগঞ্জে দামোদরপুর ইউনিয়ন পূর্ব ঝাড়পাড়া গ্রামে ৩৫ বছর থেকে পৈতৃক জমিতে বসতবাড়ি করে জীবন যাপন করে আসছেন স্হানীয় এক মসজিদে ইমাম মাওলানা সামসুল হক ও তার পরিবার।মাওলানা সামসুল হক একজন বিনয়ী ও শান্ত স্বভাব সুলভ মানুষ। তিনি সারল্য জীবন নিয়ে পরিবার সন্তান নিয়ে ঝাড়পাড়া গ্রামে বসবাস করছেন। তিনি পৈতৃক পাওয়া সাড়ে ১৩ শতক শতাংশ জমির উপরে একটি ঘর গড়ে তোলেন । সেখানে তার জমির চাষাবাদের সব ধরনের ফসল রাখেন।গত এক বছর থেকে তার বড় ভাই আব্দুল মজিদ ও তার ছেলে ঐ বসত ঘরের জায়গা নিজেদের অংশ দাবি করে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি ও হেনস্হা করছেন মাওলানা সামসুল হক ও তার পরিবারকে। এর মধ্যে গত ১৪ জুন সামসুল হকের বসত ঘর ঘেঁষে গভীর গর্ত করেন আব্দুল মজিদ ও তার ছেলে শাহাদাত। যে কোন সময় তার বসতঘরটি ধসে যাওয়ার আশংকা করছেন পরিবারটি। ১৫ জুন সরজমিনে ঘটনাস্থলে যেয়ে দেখা যায়, বিশাল গর্ত করে বসত ঘরের নিচের ভিত্তি পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে।ঝুকিপূর্ণ মধ্যে পড়ে আছে ঘরটি।
এবিষয়ে মাওলানা সামসুল হক বলেন,আমার ভাই ভাতিজারা প্রতিহিংসা মূলক ভাবে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে আমার পরিবারকে ও বাড়িঘর নিয়ে। তারা গভীর গর্ত করেছে ঘর ঘেঁষে যেকোনো সময় আমার ঘরটি ভেঙ্গে যেতে পারে। আমার ঘরে জমির ফসল রয়েছে । আমি প্রশাসন কাছে এর বিচার দাবি করছি।
সামসুল হক ছেলে সাইদুল ইসলাম বলেন, তারা পৈতৃক সূত্রে জমি পাবে সাড়ে ৪ শতক। কিন্তু তারা জোরপূর্বক দাবি করছেন ১৮ শতক।এজন্য তারা আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছেন।
স্হানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এটা অমানবিক কাজ। একজন আলেম মানুষকে তারা একের পর বিভিন্ন ভাবে হেনস্তা ও হয়রানি করছে। তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি জানাই।
অভিযোগের বিষয়ে শাহাদাত আলী বলেন, আমার বাবার অংশের মধ্যে পড়েছে ঐ ঘরটি।এজন্য থানা পুলিশ এর সঠিক সমাধান করে দিয়েছিল।কিন্তু সামসুল হক ও তার ছেলে সাইদার মানছেন না।
বদরগঞ্জ থানার এএসআই মন্জুরুল ইসলাম বলেন, বসত ঘর ঘেঁষে গভীর গর্ত করার সংবাদ আমি পেয়েছে।তাদেরকে নিষেধ করেছি আর গর্ত না করার জন্য। তিনি আরো বলেন, মাওলানা শামসুল হককে আদালতের ১৪৪ এর নির্দেশনা আনতে বলা হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স